How To Save Earth : Save Our Water and trees
India র আবহাওয়া ও ক্ষরার থেকে বাঁচতে বৃক্ষরোপণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের ব্যাস্ততায় এখন খুব কম মানুষই বৃক্ষরোপণ করে এবং বিভিন্ন কারখানা, ফ্ল্যাট তৈরির জন্য বিপুল পরিমাণ গাছ কাটা হচ্ছে ।
ভারতের বিভিন্ন জায়গা জলশূন্য হয়ে গেছে । আগামী দিনে আমাদের শহরও জলশূন্য হয়ে যেতে পারে যদি আমরা এখন থেকে সচেতন না হয় ।
১.শহরের বিভিন্ন জায়গায় কল খোলা থাকে বা কল বন্ধের ব্যাবস্থা নেই । সেগুলো আপনারা নিকটবর্তী পৌরসভা তে জানান । অথবা এলাকার বাসিন্দারা সবাই মিলে তা ঠিক করিয়ে নিন ।
২.বৃষ্টির জল কিছু সহজ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা যায় । সেগুলোর সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে বাড়িতে জল সংগ্রহ করুন।
৩.এসি চলার সময় কিছু পরিমান জল বের হয় ,এই জল ক্ষতিকারক নয় ,খাওয়া বাদে এই জল সংগ্রহ করে যে কোনো কাজে লাগাতে পারেন।
৪.কিছু water পুরিফায়ার জল বিশুদ্ধ করার সময় কিছু পরিমান জল নিঃসৃত করে,…
India র আবহাওয়া ও ক্ষরার থেকে বাঁচতে বৃক্ষরোপণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের ব্যাস্ততায় এখন খুব কম মানুষই বৃক্ষরোপণ করে এবং বিভিন্ন কারখানা, ফ্ল্যাট তৈরির জন্য বিপুল পরিমাণ গাছ কাটা হচ্ছে ।
ভারতের বিভিন্ন জায়গা জলশূন্য হয়ে গেছে । আগামী দিনে আমাদের শহরও জলশূন্য হয়ে যেতে পারে যদি আমরা এখন থেকে সচেতন না হয় ।
গাছ লাগাই, গাছ বাঁচাই || Plant Tree, Save Tree
গাছ আমাদের কিভাবে উপকার করে তা ছোটবেলায় পাঠ্যপুস্তকে আমরা পড়লেও হয়তো ইঁদুরের দৌড়ে সামিল হয়ে আমরা সেগুলো ভুলে গেছি। তাই আরেকবার মনে করে নেয়া যাক গাছ আমাদের কিভাবে বাঁচিয়ে রেখেছে ।
১. গাছ বাতাসের উষ্ণতাকে কমাতে সাহায্য করে, সূর্যের আলো ও তাপকে আটকে ছায়া দেয় ।
২. গাছ প্রাকৃতিক air Conditioner এর কাজ করে। একটা গাছ যে পরিমাণ ঠান্ডা প্রদান করে ,তা ১০ টি ঘরকে দিনে ২০ ঘন্টা ঠান্ডা রাখতে পারে ।
৩. যখন গাছের পাতা মাটিতে পড়ে তখন মাটির তাপমাত্রা কমে এবং পাতা পচে সার সৃষ্টি হয় যা গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ।
৪. গাছের ওপর নির্ভর করে বহু পশু ও পাখি জীবিত থাকে ।
৫. গাছ মাটি আঁকড়ে ধরে থাকে, যাতে জোড়ে বৃষ্টি হলে বা বন্যা হলে মাটি ধুয়ে চলে যেতে পারে না।
৬. এবার আসা যাক আসল কথায় , গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে, শুধু কার্বন ডাই অক্সাইড ই নয় । তাছাড়াও বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস সালফার ডাই অক্সাইড, কার্বন মনএক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে ।
◾ একটা বড়ো গাছ সারাদিনে প্রায় চার জনের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ করে।
◾একটা গাছ প্রায় ১৩ পাউন্ড কার্বন সংগ্রহ করে, যা ২.৬ টন কার্বন ডাই অক্সাইডের সমান ।
গাছের উপকারিতা তো জানা হলো । এবার ভেবে দেখা যাক আমরা এক বছরে কটা গাছ লাগাই ?
আপনি শেষ কবে গাছ লাগিয়েছেন ?
আমরা সপ্তাহে একদিন আধ ঘন্টা সময় কি গাছ লাগানোর জন্য ব্যায় করতে পারি না ??
গাছ লাগানো হলো Lifelong Investment । আমরা যেসব ফলমূল খাই,তার বীজ আমরা কোনো পাত্রে জমিয়ে রাখতে পারি । বাড়িতে জায়গা থাকলে সেখানে নয়তো বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে বা কোনো জলাশয়ের পাশে বৃক্ষরোপণ করা যেতে পারে ।
রাস্তার ধারে গাছ লাগানোর সময় যা মনে রাখতে হবে
◼গাছ যখন বৃদ্ধি পাবে ওপরের তারে যেন স্পর্শ না করে ।
◼রাস্তার থেকে যেন একটু দূরত্বে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে রাস্তা বড়ো করলে গাছ কাটতে হবে না।
◼গাছ বড়ো হওয়ার পর যেন কারোর বাড়ি বা দোকান না ঢেকে দেয়।
◼আশেপাশে কোনো জলাশয় থাকলে গাছ মাটি থেকেই জল পাবে, জল দিতে হবে না ।
সহজে কি গাছ লাগানো যেতে পারে ?
এখন গ্রীষ্ম কাল,এইসময় আমরা প্রচুর পরিমাণ আম খাই । আমের আঁটি থেকে গাছ খুব সহজেই হয় ।
Mango Seed to plant
প্রথমে আমের বীজ বা আঁটি টিকে একটি পাত্রে মাটিতে পুঁতে দিতে হবে । আঁটিটির চার ভাগের এক ভাগ যেন মাটির ওপরে থাকে ।মাটিতে রোজ অল্প করে জল দিতে হবে ।
সাধারণত ১৪ দিনে আঁটি অঙ্কুরিত হতে শুরু হয় । যদি না হয় ধৈর্য্য ধরুন , তিন সপ্তাহ অবধি লাগতে পারে ।
এবার দু মাসে গাছটি মোটামুটি বড়ো হয়ে যাবে, তখন স্থানান্তরিত করা যেতে পারে ।
দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেসব সব্জি বা আনাজপাতি খাই , সেগুলোও সহজেই বাড়িতে উৎপাদন করা যায় ।
lemon Seed to plant
লেবু আমরা প্রায়ই খাই, যদি যত্ন করে তার বীজগুলো মাটিতে অর্ধেকটা পুঁতে দেয়া হয় এবং যেখানে সূর্যালোক আছে সেখানে রাখতে হবে এবং রোজ জল স্প্রে করতে হবে, দুই সপ্তাহের মধ্যেই অঙ্কুরিত হবে । তারপর তিনমাস পরে গাছটি অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করা যেতে পারে ।অনেক সময় আলু পেঁয়াজ রান্নাঘরে অনেক দিন থাকার ফলে অঙ্কুরিত হয় ,সেগুলো মাটিতে পুঁতে দিলে অতি সহজেই বড়ো হয়ে যাক, এইসকল গাছের খুব বেশী যত্নের প্রয়োজন হয় না ।
ফুল গাছ লাগাতে হলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বীজ পাওয়া যায় , বাড়ির ছাদে বা ব্যালকনিতে টবে এইসব গাছ লাগানো যায় ।
সকলে মিলে আমরা বৃক্ষরোপণ করলে আগামী দিনগুলোর সমস5 আমরা রোধ করতে পারি । আমাদের বাড়ির বাচ্ছাদের ও ছোটোবেলা থেকে গাছ লাগানো ও পরিবেশের প্রতি সচেতন করে তুলতে হবে ।
Comments
Post a Comment