Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Bangla Kobita

দূর্গা পূজোর কবিতা ও আড্ডা

দূর্গা পূজোর কবিতা ও আড্ডা আগমনী Agomoni Baje agomoni sur kon se dure, Siulir subash bhase prokriti jure. Dure kashfuler bon kare sokoler mon, Naborupe soroter probhati sure. Ma bujhi oi elo abar,elo abar fire, Notun kore somagom abar take ghire. Ma to sudhu eka non,songe je tar poti, Sathe achen kartik ganesh lokkhi saraswati. Charidike khushir mezaz mayer agomon, Hok na seta mayer bodhon kingba bisorjan. Charti diner khushir pore eje bhishon jala, Sakoler mukh molin kore mayer jawar pala. Sobar mon kande je aj,mukh je sobar hari, Baper bari chere maje chollo sosur bari. Abar je jar mato basto sobai nijer nijer ghore, Sobai bole firte make.....abar ekta bachor pore.
পাথরকুচি শ্রী আজ বইয়ের পাতা ওল্টাতে গিয়ে তোমার দেওয়া সেই পাথরকুচির পাতাটা পেলাম, অনেকদিন পর আবার তোমায় খুব মনে পড়ছে তুমি কেমন আছো খুব জানতে ইচ্ছে করছে । তোমার একবারো মনে পড়ে সেই ১২ই ফেব্রুয়ারী ? পাজ্ঞাবী পড়ে এসেছিলে আমায় নিতে,আর আমি শাড়ী । পার্কের মাঠে হাতে হাত রেখে বললে,তুমি আমায় ভালোবাসো আমি উত্তর দিতে পারিনি সেদিন,কিন্তু চেয়েছি তোমায় । কিছুদিন পরেই এই পাথরকুচির পাতাটা দিয়েছিলে আমায় । আমার তো তখন গাছ লাগাবার খুব শখ ছিলো, কিন্তু যেদিন তোমায় দেখলাম বনানীর সাথে পার্কে না !! তারপর থেকে আর গাছ লাগাই নি, আমার গোলাপ গাছগুলোও সেদিনই কেটে ফেলেছিলাম, তুমি আমার সাথে আর কথা বলোনি । আমিও পারিনি কিছু বলতে.. সত্যি বলতে কী করে বলি বলতো কিছু ? দোষ তো তোমার নেই তুমি আমায় সময় দিয়েছিলে,আমি উত্তর দিইনি । আর আমি তোমায় চেয়েছিলাম,এতো সহজে হারাবো ভাবিনি । তুমি ঠিক এই পাথরকুচি পাতাটার মতো, সবার থেকে আলাদা,একটু শক্ত ও যখন কেউ তোমায় তার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, তুমি নিজের মধ্যে আরও অনেককে নিয়ে বিস্তার করে নাও নিজের জগ ৎ । যেমন পাতাটা করেছে বইয়ের মধ্যে ...
তোমার জণ্য ............ শ্রী এটা তোমার জণ্য লেখা গল্প কিছুটা সত্যি আর মিথ্যে অল্প অল্প । তোমার কাছে আমি যদি হতাম রবিঠাকুরের ক্যামেলিয়া তুমি কখনো বলতে আমায় , "আর কতদূরে নিয়ে যাবে মোরে হে সুন্দরী ? " হয়তো থাকতাম আমি তোমার অজানা তবু কি বলতে ? "আমার সেই তাহার নামটি অঞ্জনা " আমি যদি হতাম সেই সাধারণ মেয়ে তুমি তো আমায় বেশী বুঝতে শর ৎ বাবুর চেয়ে আমি যদি সেই সোনার তরীতে দিতাম তোমায় ঠাঁই আমি কি তা পেতাম যা আমি চাই ? উদভ্রান্ত আদিম যুগে স্রষ্টা যদি হতাম আমি সৃষ্টিকে ক্ষণে ক্ষণে করতাম পশ্চাদগামী শুধু বানাতাম তোমার আমার দুনিয়া, তবে ডাকতে কি একবারো কৃষ্ণকলি বলিয়া ? প্রহরী হয়ে আলো জ্বালাই যদি রাজপথে একবারও কি ডাকতে আমায় তোমার স্বণপথে ? বিদ্বেষবিষ ত্যাগ করে যদি পেতে জ্ঞান তোমার পূজারিনী হয়ে কাটিয়ে দিতাম আমার জীবনপ্রাণ ।
চিঠি ............শ্রী কবিগুরু , এটা তোমাকে লেখা চিঠি দেখতে চাই তোমাকে বলতে চাই অনেক কথা তোমাকে ভালোবাসতে চাই তোমার মতো করে তোমায় ভালোবেসে হতে চাই কখনো মৃণালিণী, কখনো কাদম্বরী, কখনো বা কৃষ্ণকলি, কখনো নিন্দে করতে চাই তোমার লেখার,কখনো বা তোমার লেখার প্রশংসায় হতে চাই গুণমুগ্ধ । তোমাকে ভালোবেসে কাটাতে চাই তোমার সাথে জীবন । মৃতুন্জয় হতে কতোটা কষ্ট হয়েছিলো তোমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, হাতে হাত রেখে পাশে থাকতে ইচ্ছে করে । জানো,তোমার মতো এতো কষ্ট এই জীবনে পাইনি.. তবুও মৃতুন্জয় হতে পারিনি এখনো.. ছাড়ো সেসব কথা ক্যামেলিয়া সত্যি ছিলো কেও? বা সেই কৃষ্ণকলি? কারোর সাথে হয়েছিলো তোমার সেই হঠাত্ দেখা? কাদম্বরীকে আমার খুব হিংসা হয়,জানো ? যদি কখনো ফিরে আসো, হঠাত্ দেখা হবে তো আমার সাথে ? বা ক্যামেলিয়া হয়ে , কোনো এক পাহাড়ের পথে ?

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ - বাংলা কবিতা - Bengali Poem

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ আমার জীবন ভালোবাসাহীন গেলে কলঙ্ক হবে কলঙ্ক হবে তোর, খুব সামান্য হৃদয়ের ঋণ পেলে বেদনাকে নিয়ে সচ্ছলতার ঘর বাঁধবো নিমেষে। শর্তবিহীন হাত গচ্ছিত রেখে লাজুক দু’হাতে আমি কাটাবো উজাড় যুগলবন্দী হাত অযুত স্বপ্নে। শুনেছি জীবন দামী, একবার আসে, তাকে ভালোবেসে যদি অমার্জনীয় অপরাধ হয় হোক, ইতিহাস দেবে অমরতা নিরবধি আয় মেয়ে গড়ি চারু আনন্দলোক। দেখবো দেখাবো পরস্পরকে খুলে যতো সুখ আর দুঃখের সব দাগ, আয় না পাষাণী একবার পথ ভুলে পরীক্ষা হোক কার কতো অনুরাগ।
বিবাহিতাকে – জয় গোস্বামী কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই। ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে। অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এরপচন নেই। বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না। রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে। আমি জানি, মৃতদেহটা আমার। কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন। আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরেগিয়ে পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে টেনে বার করব আমি।
আকাক্ষা ....................... শ্রী সবিতার আর মা হওয়া হোলো না, দো তলার জানলা দিয়ে রোজ দ্যাখে সে, পাশের বাড়ির খোকণকে লাবনী কতো ভালোবেসে স্হাণ করায়। পরন্ত্য দুপুরে খোকণ কেঁদে উঠলে, সবিতার অন্তরের ব্যাকুলতার বাঁধ ভাঙে। নিজেকে অনেক কষ্ট দিয়েছে সে এখণ সে আর নিজেকে কষ্ট দেয় না, চারপাশের সমাজ সেই দায়িত্বটা নিয়েছে। শাশুড়ী বাঁজা বলে দুর্ব্যবহার করে রোজ, আর সেদিন সকালে সবিতা তারাতারি উঠে স্হাণ করেছিলো, তুঁতে রঙের নতুন শাড়ীটা পরেছিলো পাড়ার আর পাঁচটা বৌয়ের মতো মোড়ের মাথার মণসা মন্দিরে গেছিলো পূজোর জোগাড় করতে, তাপসী ফল কাটার বঁটিটা ওর হাত থেকে ছিণিয়ে নিলো এক রাশ কান্না বুক ফেটে বেরোচ্ছিলো, কিন্তু সবিতা হাঁসি মুখেই চলে এসেছিলো । রাতে সমিরের বুকে মুখ গুঁজে কাঁদতে চেয়েছিলো সে কিন্তু বংশের উত্তরাধিকারের জণ্য সে আবার বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো সেদিনই, সবিতা আর কিছু বলতে পারেনি । নিজেকে দোষী ভেবে চুপ রয়েছিলো সে, সারারাত চোখের জলে বালিশ ভিজিয়ে নিশ্চুপ আর্তনাদগুলো দুঃসহ হয়ে উঠেছিলো । বারান্দায় রাখা গাছটাকে খুব আদর করে জল দিয়...
নরনারী .........শ্রী জীবনটা শুধু শরীরে বন্দী একটা খাট আর শোওয়াই গন্ডী ছুটছে সবাই শরীর খুঁজে     মারছে কোপ সুযোগ বুঝে এক কম্বলে জড়াজড়ি এটাই জীবন নরনারী এক বিছানায় দুটো শরীর ধর্ম তখন হয় না নিবিড় যখন শিরায় টানটান তখন আসে প্রেমের বান। ফুরিয়ে গেলে আবার খোঁজো কেও নতুন কেও পুরানো। কেও করছে হয়ে খুশী কারোর আবার পেশায় এটি মানুষগুলো ক্ষুধার্ত সব কেও চাইছে কেও বা নিরব কেওবা একা হাতের ওপর করছে গরম নিজের গতর বুকের ওপর মুখ গুঁজে কেউ আনছে নিজের শরীরে ঢেউ কেউ চুলের মুটি ধরে, কেউবা আবার দেয় আঁচড় নগ্ণ যখন দুটো শরীর আবেগ ওঠে অতল গভীর এর মধ্যে নেই সমাজ যখন প্রধান একটা আওয়াজ হাতের মাঝে শরীর যখন সার্থকতা সেটাই তখন যৌনতাই বানায় সমাজ মহান করে সমস্ত কাজ ।
ভালোবাসা ..................শ্রী সারাদিনে অনেকবার ভালোবাসা নামটা শুনি ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কখনো অভিনয় করি, কখনো লড়াই করি,আবার কখনো কাঁদি । অনেকগুলো জীবন প্রতিদিন ভালোবাসা না পেয়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে বা শেষ করে দিচ্ছে নিজেকে। ভেবে দেখলে সকাল থেকে রাত অবধি আমরা যা যা করছি তার কাটা ছেঁড়া করলে কোথাও না কোথাও এই শব্দটা উঠে আসবেই ভালোবাসা । সত্যি করে যখন ভালোবাসার সংজ্ঞা খুঁজতে যাই, তখন মনে হয় এই একটা শ‍ব্দ অনেক শব্দের বোঝা নিজে বয়ে বেরাচ্ছে, নয়তো বা ভালোবাসা শব্দটাই অর্থহীন । আমরা প্রি য় মানুষের কাছে গুরুত্ব চাই,সময় চাই, আশা করি যে সে আমাদের অব্যক্ত কথাগুলো বুঝবে, সে আমাদের নিজের সবটুকু দিয়ে খুশী রাখার চেষ্টা করবে, পরিশ্রান্ত হয়েও চোখে চোখ পরলে এক উল্লাস ফুটে উঠবে তার চোখে, আমাদের কষ্টে সে হাত বাড়াবে,চোখের জল মোছাবে.. এইসব কিছু যখন আমরা পাই, তখন আমরা বলি 'ভালোবাসি'.
আমি ও অতীত .............শ্রী বদলেছি আমিও ঠিক তোমার মতো সাহিত্যকেও দিয়েছি ছুটি । এস এম এস এ চলছে আবেগের আবেদন ব্যথৄ হয়েছে আমার সব চিঠি সমাজের সাথে কাঁধ মিলিয়ে আজ আমিও সবার মতো। কবিতায় আর করি না প্রেম নিবেদন ফেসবুক আর হোয়াটস আ্যপ এই মজাই মন। হারমনিয়ামটা তুলে রেখেছি গিটারেই করি সব সাধন । বই এর ফাঁকেও আর রাখি না ছবি মোবাইল অ্যালবামেই সব স্মৃতি সব সেলফি । চাঁদ চাইলে চাঁদ এনে দেবো... চলে না এসব কাব্যি । কাজ করে না এখন আর মা কালির দিব্যি । সত্যি ... বিসত্র ব্যবধান , তবুও আশাবাদী আমি যদি কখনো বিচ্ছেদ হয় তোমার আগামীর সাথে ...